খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৩ কার্তিক, ১৪৩৩

ধারালো অস্ত্রের আঘাতকে ভোঁতা অস্ত্রের জখম দেখানোর অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ধারালো অস্ত্রের আঘাতকে ভোঁতা অস্ত্রের জখম দেখানোর অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

যোগফল প্রতিবেদক: 

ছুরি, চাপাতি ও রামদা দিয়ে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। তবে হাসপাতাল থেকে দেওয়া মেডিকেল রিপোর্টে ধারালো অস্ত্রের আঘাতকে ভোঁতা অস্ত্রের আঘাত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী রাজু আহমেদ। প্রতিপক্ষের প্রভাবে চিকিৎসক প্রকৃত আঘাতের বিবরণ গোপন করে মনগড়া রিপোর্ট দিয়েছেন বলে দাবি তার। এ ঘটনায় হাসপাতাল পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

রাজু আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানার বাগানপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। পেশায় ব্যবসায়ী রাজুর নগরের লক্ষ্মীপুর মোড়ে একটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। গত জুলাই মাসে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন। ২৭ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এ ঘটনায় থানায় মামলাও করেছেন রাজু।

পরে রামেক হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সায়ের মোহাম্মদ রিয়াদ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে রাজুর মেডিকেল সনদ দেন। তবে ওই সনদে শরীরের বিভিন্ন স্থানের আঘাতের বিবরণ এবং হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের ধরন যথাযথভাবে উল্লেখ করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।

এ বিষয়ে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন রাজু আহমেদ।

অভিযোগে রাজু উল্লেখ করেন, গত জুলাই মাসে ছুরি, চাকু, চাপাতি ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালান সন্ত্রাসীরা। এতে তার মাথা ও নিতম্বে গুরুতর জখম হয়। এ ছাড়া লোহার পাইপ দিয়ে তার একটি চোখে আঘাত করা হয়। এতে চোখের চারপাশে কালশিরা পড়ে। পরে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রাজুর দাবি, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষত থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে দেওয়া ছাড়পত্রে মাথায় সামান্য আঘাতের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে সহকারী রেজিস্ট্রারের দেওয়া মেডিকেল রিপোর্টেও আঘাতের প্রকৃত ধরন ও হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের বিবরণ যথাযথভাবে তুলে ধরা হয়নি।

তিনি অভিযোগে আরও বলেন, ছুরি, রামদা ও চাপাতির আঘাতে তার মাথায় পাঁচটি, চোখের ওপর চারটি এবং বাম নিতম্বের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি, চারটি, তিনটি ও চারটি করে সেলাই দিতে হয়েছিল। অথচ মেডিকেল রিপোর্টে শুধু মাথার চামড়া ও নিতম্বের একটি স্থানের আঘাতের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতগুলোকে ‘কাটা ক্ষতের মতো দেখতে’ উল্লেখ করে সেগুলোকে সাধারণ আঘাত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি আঘাতের কারণ হিসেবে ভোঁতা বস্তুর কথা লেখা হয়েছে বলে দাবি তার।

রাজু আহমেদ বলেন, “রামদা, ছুরি ও চাকু দিয়ে আমাকে আঘাত করা হয়েছিল। ছুরি-চাকু কীভাবে ভোঁতা বস্তু হলো, তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। মামলা করার পর প্রতিপক্ষরা নানাভাবে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে। তাদের প্রভাবে চিকিৎসক মেডিকেল রিপোর্টে আঘাতের ধরন ও ব্যবহৃত অস্ত্রের প্রকৃত বিবরণ উল্লেখ করেননি বলে আমার মনে হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “মনগড়া রিপোর্টের কারণে আসামিরা সহজেই জামিন পেয়ে যেতে পারেন। এতে আদালতে ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছি। প্রতিপক্ষরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় চিকিৎসককে প্রভাবিত করেছেন বলে শুনেছি।”

নিজের শরীরের আঘাত পুনরায় পরীক্ষা করে প্রকৃত তথ্যের ভিত্তিতে মেডিকেল রিপোর্ট দেওয়ার জন্য হাসপাতাল পরিচালকের কাছে আবেদন জানিয়েছেন রাজু। একই সঙ্গে আঘাতের ধরন ও হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রের বিবরণ আড়াল করার অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ বলেন, রামদা বা চাপাতির উল্টো দিক দিয়ে আঘাত করা হলে সেটিকে ভোঁতা অস্ত্রের আঘাত হিসেবে উল্লেখ করা হতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক কী কারণে এমনটি লিখেছেন, তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগ থাকলে আবারও মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হবে। জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডের তথ্য মিলিয়ে যাচাই করে নতুন করে রিপোর্ট দেওয়া হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১

ছবি যোগফল

সিমান্ত তালুকদার ।  কুমিল্লা

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় থানা পুলিশের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ টিটু (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর কুমিল্লা থেকে বাগড়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় আরএমসি ট্রেনিং সেন্টারের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামী মো: টিটু ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রামচন্দ্রপুর এলাকার ওহিদ মেম্বারের বাড়ির সোনা মিয়ার ছেলে।

থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধার পর উপজেলার বাগড়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে বাগড়া নোয়াপাড়া এলাকায় আরএমসি ট্রেনিং সেন্টারের সামনে থেকে ৬ কেজি গাজাসহ টিটু নামে এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন জানান আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে রবিবার দুপুরে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর পদ পেতে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ডব্লিউএইচওর পদ পেতে তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

যোগফল প্রতিবেদক:

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পেতে ব্যক্তিগত বৃত্তান্তে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান এ তথ্য জানান।

দুদকের তদন্তে বলা হয়েছে, ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার উদ্দেশ্যে সংস্থাটিতে জমা দেওয়া ব্যক্তিগত বৃত্তান্তে সাবেক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সম্মানিত বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে কাজ করার মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য দেন সায়মা ওয়াজেদ।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি অন অটিজম অ্যান্ড নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার এবং সূচনা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য ওই তথ্য ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের তদন্তে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ না দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নথি পাঠানোর জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। পরে জেনেভায় জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত বৃত্তান্ত ডব্লিউএইচওর সদর দপ্তরে পাঠানো হয়।

তদন্তে দাবি করা হয়েছে, ওই তথ্য ব্যবহার করেই ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নিয়োগ পান সায়মা ওয়াজেদ। এসব কর্মকাণ্ডকে ক্ষমতার অপব্যবহার, রাষ্ট্রীয় সুনাম ক্ষুণ্ন করা এবং অপরাধমূলক অসদাচরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে দুদক।

এ ঘটনায় গত বছরের ২০ মার্চ দুদকের ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের মানিলন্ডারিং-১ শাখার উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক।

মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ধারায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক। তবে চার্জশিটে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষেই তাঁর দায় নির্ধারিত হবে।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা, সহ-অধিনায়ক সোবহানা

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা, সহ-অধিনায়ক সোবহানা

যোগফল প্রতিবেদক:

বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। তাঁর সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে ব্যাটার সোবহানা মোস্তারিকে। সাবেক অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে বিসিবি।

এশিয়ান গেমসের আগেই নারী টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। এশিয়ান গেমসই ছিল অধিনায়ক হিসেবে তাঁর শেষ টুর্নামেন্ট। তাঁর জায়গায় এবার নেতৃত্বের দায়িত্ব পেলেন দলের অভিজ্ঞ স্পিনার নাহিদা আক্তার।

নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি নাহিদা ইতোমধ্যে দেশের অন্যতম সেরা স্পিনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ১১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ১৩২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া সোবহানা মোস্তারিও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকের পর থেকে বাংলাদেশের জার্সিতে ৭২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।

সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এক হাজারের বেশি রান করা বাংলাদেশি নারী ব্যাটারদের বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সোবহানা। নিগার সুলতানা জ্যোতি ও ফারজানা হকের পর বাংলাদেশের তৃতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে এ মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।

নতুন নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী দলের সামনে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ আইসিসি নারী ইমার্জিং নেশনস ট্রফি ২০২৬। আগামী ১২ থেকে ২৫ নভেম্বর এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আসন্ন প্রতিযোগিতায় নাহিদা ও সোবহানার নেতৃত্বে মাঠে নামবে বাংলাদেশ নারী দল।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম